কপালের রিংকেল কিভাবে কমাবেন ?

কপালের রিংকেল কিভাবে কমাবেন ?

যে বয়সেই থাকুন না কেন সবাই চায়, ইস যদি মুখে কোন দাগ না থাকতো, কপালে ভাজঁ না হতো, কিন্তু বয়সের কারনে ধীরে ধীরে কপালের ভাজঁ পড়তে শুরু করে দেয়। যতই খারাপ লাগুক এটাই বাস্তব সত্য। সেই ভাজঁ কে দূর করার জন্যে আজ কিছু টিপস।

নানা কারনে কপালে ভাজঁ পড়ে-

বয়স- বয়স বেড়ে যাওয়ার কারনে ত্বকের ইলাস্ট্রিসিটি কমে যায় তাই ত্বক লুজ হতে শুরু করে, যার কারনে ত্বকে ভাজঁ পড়তে শুরু করে।

সূর্যালোক- শুধু বয়স নয় সূর্যের আলোর ক্ষতিকর রশ্মিও ত্বকের রিংকেলের জন্য দায়ী, তাই রোদে সানস্ক্রীন ব্যবহার করা উচিত।

কম ঘুম- যদি প্রতিদিন ৬-৭ ঘন্টা আপনি পর্যাপ্ত পরিমানে ঘুমাতে না পারেন তাহলে ডার্ক সার্কেল আর রিংকেলের সুযোগ বেড়ে যায়।

এতো গেল রিংকেলের কারন কি, এখন সমাধান কি হবে ?

কিছু অ্যান্টি রিংকেল ফেস মাস্ক জেনে নিন এগুলো ব্যবহার করে আপনি রিংকেল কমাতে পারবেন।

১. টকদই আর ওটমিল-

প্রয়োজন মতো ওটমিল আর টকদই মিশিয়ে নিন, এই মিক্চারটি মুখে লাগিয়ে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করুন তারপর মুখ ধুয়ে ফেলুন।

২. আনারস ও পেপেঁ-

আনারস আর পেপেঁ মিশিয়ে ঘন পেষ্ট তৈরি করে নিন। এই পেষ্টটি লাগিয়ে ২০ মিনিট রেখে পরে ধুয়ে ফেলুন।

কপালের বলিরেখা কমানোর জন্যে এটি দারুন একটি প্রাকৃতিক ফেস মাস্ক।

৩. অ্যালোভেরা জেল ও ডিমের সাদা অংশ-

একটি ডিমের সাদা অংশ নিন এর সাথে অ্যালেভেরা জেল মিশিয়ে নিন। কপালে লাগিয়ে ১৫ মিনিট পরে ধুলে ফেলুন। ভালো রেজাল্টের জন্য সপ্তাহে ২ বার ব্যবহার করুন।

অ্যালোভেরা জেল এবং ডিমের সাদা অংশ ভিটামিন ই এর উৎস যা ত্বকের বলিরেখা কমাতে সাহায্য করে।

তেলের সাহায্যে ট্রিটমেন্ট-

১. অলিভ অয়েল ম্যাসেজ-

এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অল্প গরম করে নিন। এর থেকে কয়েক ফোটাঁ কপালে লাগিয়ে সার্কুলার মোশনে মৃদু হাতে ম্যাসেজ করুন। চাইলে এর সাথে আপনি নারিকেল তেলও যোগ করতে পারেন। এভাবে নিয়মিত প্রতিদিন একমাস লাগান।

২. তিসির তেল-

যদি স্বল্প সময়ে তড়িৎ রেজাল্ট চান তাহলে তিসির তেল সারারাত লাগিয়ে রাখুন, কয়েকদিনের মধ্যেই পার্থক্যটা আপনি দেখতে পাবেন।

৩. ক্যাস্টর অয়েল-

বলিরেখার উপর ক্যাস্টর অয়েল লাগিয়ে ম্যাসেজ করুন। প্রতিদিন এভাবে নিয়মিত করুন আশানূরুপ ফল পাবেন।

ফেশিয়াল এক্সারসাইজ করতে পারেন-

এক্সারসাইজ ১-

১. যতটা পারেন ভ্রু উপরের দিকে তুলুন

২. আপনার আঙুলের আগা আইব্রোর উপরে রাখুন এবং নিচ থেকে উপরের দিকে সার্কুলার মোশনে ম্যাসেজ করুন।

৩. প্রতিদিন এই এক্সারসাইজটি করুন।

এক্সারসাইজ ২-

১. পিছনে হেলান দিয়ে শুয়ে পড়ুন।

২. যতটা পারেন কপাল কুচঁকে ভ্রু উপরের দিকে তুলুন।

৩. একই সাথে চোখ যতটা সম্ভব বড় করে তাকান।

৪. এভাবে ৫ সেকেন্ড থাকুন।

৫. রিল্যাক্স হোন- তারপর আবা ৮-১০ বার রিপিট করুন।

 

ছবিঃ সংগৃহীত